Onushondhan News

জাল সনদে শিক্ষক পদে চাকরি, কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক রিপোর্ট:

জাল সনদ দিয়ে স্কুলে চাকরী নেয়ায় এক স্কুল শিক্ষিকার বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত ওই শিক্ষিকার নাম সুরাইয়া ইসলাম। তিনি একই সাথে উজিরপুর পৌর সভার সংরক্ষিত (১,২,৩) ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।

বরিশাল জেলার উজিরপুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন ওই উপজেলার শের-ই-বাংলা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান। মামলা দায়েরের পর আত্মগোপনে র‌য়ে‌ছেন সুরাইয়া ইসলাম।

১৭ নভেম্বর রাত ১২টায় বিষয়‌টি নিশ্চিত করেছেন উজিরপুর থানার ওসি জিয়াউল হক। তিনি বলেন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নম্বর ১৪। মামলার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

জানা গেছে, উ‌জিরপুর উপজেলার আলাউদ্দিন আকনের মেয়ে সুরাইয়া ইসলাম ২০০৭ সালের শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার (রোল নং-৬১১৬০০২৬, রেজিষ্ট্রেশন নং-৭০১২২৭২) সনদ দিয়ে চাকরি গ্রহণ করেন। কিন্তু চল‌তি বছ‌রের ২০ অক্টোবর সহকারী শিক্ষক (উদ্ভিদ বিজ্ঞান) সুরাইয়া ইসলামের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ যাচাই করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। তখন তার সনদের রোল ও রেজিস্ট্রেশন নাম্বারে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষর (এনটিআরসিএ) প্রত্যায়নে নাম আসে আবুল হাসনাত মোঃ রাসেল, পিতা: গোলাম হোসাইন।

সুরাইয়া ইসলামের জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়লে ১৩ নভেম্বর শের-ই-বাংলা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভায় মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সে অনুসারে ১৮ নভেম্বর মঙ্গলবার মামলা দায়ের করেন প্রধান শিক্ষক।

প্রসঙ্গত, নিবন্ধনের সনদ জালিয়াতি করে সুরাইয়া ইসলাম ২০১২ সালের ২৮ মার্চ স্কুলে আবেদন করেন। ওই বছর ১৫ মে তাকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দেয়া হয়। ২০১২ সালের ১ নভেম্বর সুরাইয়া এমপিওভূক্ত হয়ে এত‌দিন চাকরি করে আসছিলেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার মতামত জানান এখানেই

তারিখে ক্লিক করে সংবাদ পড়ুন

November 2020
SSMTWTF
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930 

সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা

সবচেয়ে বেশি পড়া হয়েছে

আজ

  • শনিবার (রাত ১২:০৩)
  • ২৮শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ১৩ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
  • ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ফেসবুক-ইউটিউবে আমাদের সঙ্গে থাকুন

Don't be shy, get in touch. We love meeting interesting people and making new friends.

সবচেয়ে বেশি পড়া হয়েছে

language change »