Onushondhan News

বদলি আতঙ্কে ঢামেক’র নার্সরা, খলনায়ক কামাল পাটোয়ারী!

মুনিরুল তারেক:

বদলি আতঙ্ক বাসা বেঁধেছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নার্সদের মনে। এ হাসপাতালে কর্মরত নার্সদের মধ্যে সাংগঠনিক গুণাবলী সম্পন্ন কিংবা অধিকার আদায়ের বিভিন্ন সংগ্রামে যুক্ত থাকা নার্সরা সার্বক্ষণিক দুশ্চিন্তায় থাকছেন এই ভেবে- “কখন যেন বদলি হয়ে যাই?” অনেকে বদলি করে দেয়ার সরাসরি হুমকির শিকারও হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। আর বড় এই স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের নার্সদের মাঝে বদলি আতঙ্ক সৃষ্টিকারী “খলনায়ক” চরিত্রের নাম কামাল হোসেন পাটোয়ারী। নার্সদের সক্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ নার্সেস এসোসিয়েশনের (বিএনএ) ঢামেক হাসপাতাল শাখার ‘মেয়াদোত্তীর্ণ’ কমিটির সভাপতি তিনি। একটা সময় অন্য রাজনৈতিক দলের মতাদর্শ মেনে চলা এই নার্স নেতা ক্ষমতা ধরে রাখার লোভে খোলস পাল্টে নিজেকে জাহির করেন আওয়ামী ঘরাণার লোক হিসেবে। এই পরিচয় ভাঙিয়েই তিনি হাসপাতালের নার্স এবং নার্সিং ও মিডওয়াইফারী অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের তটস্থ করে রাখছেন। ক্ষমতাসীন দলের নেতা হিসেবে দাপিয়ে বেড়ান হাসপাতালের ওয়ার্ড থেকে ওয়ার্ডে। ঢামেক হাসপাতালকে নেতৃত্বশূণ্য করে একক আধিপত্য বজায় রাখতে ‘বদলি-আতঙ্ক’ সৃষ্টিকে তিনি কৌশল হিসেবে প্রয়োগ করছেন বলে মনে করেন সাধারণ নার্সরা।

হাসপাতাল পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ:

এসব অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ বেড়িয়ে এসেছে ২১ এপ্রিলের এক ঘটনার মধ্য দিয়ে। কর্মস্থলের দায়িত্ব বাদ দিয়ে সবসময় রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত থাকা কামাল হোসেন পাটোয়ারীর কাছ থেকে বদলির হুমকিসহ অপমান-অপদস্তের শিকার হয়ে হাসপাতাল পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন পদানুযায়ী তার সিনিয়র একজন নার্সিং সুপারভাইজার। ভুক্তভোগীর নাম হারুন অর রশিদ। তিনি ঢামেক হাসপাতালের কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে-১ (বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট) দায়িত্বরত।

হাসপাতাল পরিচালক বরাবর দেয়া লিখিত অভিযোগে হারুন অর রশিদ বলেছেন, ঘটনার দিন দুপুরে ঢামেক হাসপাতালের নার্সিং সেবা তত্ত্বাবধায়ক শিখা বিশ্বাস ও তিনি একত্রে দাপ্তরিক প্রয়োজনে উপসেবা কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন কামাল হোসেন পাটোয়ারী। তাদের দেখামাত্রই কামাল উচ্চস্বরে একাধিকবার প্রশ্ন করেন বার্ণ ইউনিটে রোস্টার করে কে? শিখা বিশ্বাস হারুন অর রশিদের নাম বলার সঙ্গে সঙ্গে কামাল পাটোয়ারী ক্ষিপ্ত হয়ে তার (হারুনের) উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনি তো বার্ণের মেট্রন (সেবা তত্ত্বাবধায়ক)। কারো কথা শোনেন না। কাউকে মানেন না। যা খুশি তাই করতেছেন।’

সুপারভাইজার হারুন হঠাৎ এমন অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণ জানতে চাইলে আরো ক্ষেপে যান কামাল পাটোয়ারী। হুংকার দিয়ে বলেন, ‘আপনি অনেক বেড়ে গেছেন। আপনাকে আমি দেখে নেবো। আপনি ডিউটি রোস্টার করবেন না। আপনি কিভাবে নার্সদের ডিউটি রোস্টার করেন আমি দেখে নেবো।’

অভিযোগপত্রে হারুন আরো লেখেন, ‘শিখা ম্যাডাম থামতে বললে আমি বাইরে চলে যাই। কামাল হোসেন পাটোয়ারী আমার সঙ্গে বাইরে এসে আরো উত্তেজিত এবং মারমুখী হয়ে আমাকে হুমকি দিয়ে বলে আজকে থেকে নার্সদের ডিউটি রোস্টার করবেন না এবং আপনি কিভাবে ঢাকা মেডিকেলে থাকেন আমি দেখবো। আমি আপনাকে বদলি করে দেবো।’

যোগাযোগ করলে নার্সিং সুপারভাইজার হারুন অর রশিদ ‍মুঠোফোনে জানান, ঘটনার সময় নার্সিং সেবা তত্ত্বাবধায়ক শিখা বিশ্বাস নিজে উপস্থিত ছিলেন। লিখিত অভিযোগপত্রে উল্লেখিত বর্ণনা পুরোটাই সত্য। হাসপাতাল পরিচালক বরাবর অভিযোগ দিতে হলে নিয়মানুযায়ী সেবা তত্ত্বাবধায়কের ফরওয়ার্ডিং নিতে হয়। শিখা বিশ্বাস অভিযোগপত্রে স্বাক্ষর করে ফরয়ার্ডিং করে দিয়েছেন।

কামাল পাটোয়ারীর তার ওপর ক্ষিপ্ত হওয়ার কারণ জানা আছে কি-না? প্রশ্ন করলে হারুন অর রশিদ জানান, কিছু দিন আগে কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালের আইসিইউতে কর্মরত জনৈক রোজি নামের এক নার্সের নাইট শিফটের ডিউটি পরিবর্তন করে দেয়ার জন্য সুপারিশ করেছিলেন কামাল। তিনি কামালকে জানান, ১৫ দিন ডিউটির শেষ দু’দিনে শিফট পরিবর্তন করা সম্ভব হয় না। আর বিষয়টি আইসিইউ’র ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন দেখবেন, তার সঙ্গে যোগাযোগ করে দেখতে পারেন।

হারুন রশিদ জানান, বিভিন্ন সময় কামাল পাটোয়ারী সুপারিশ করলে চেষ্টা করেছি তার কথা রাখার জন্য। কিন্তু ওই সুপারিশ না রাখার কারণেই হয়তো ক্ষোভ থেকে এমন খারাপ আচরণ করে থাকতে পারেন তিনি।

লিখিত অভিযোগ দেয়ার কারণে পুনরায় কোনো হুমকি পেয়েছেন কি-না জানতে চাইলে হারুন বলেন, ‘আমাকে কিছু বলেনি। তবে শুনেছি শিখা ম্যাডাম ফরওয়ার্ডিং দেয়ার কারণে তাকে কিছু বলেছেন। হয়তো জানতে চেয়েছেন কেন ফরওয়ার্ডিং দিলেন তিনি।’

অভিযোগের পরের দিনই পরিচালকের অ্যাকশন:

এদিকে, ২১ এপ্রিলের ঘটনার পরের দিন ২২ এপ্রিল ওয়ার্ড ইনচার্জদের নিয়ে বৈঠক করেছেন ঢামেক হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক। বৈঠকে নির্দেশনা দিয়েছেন, স্টাফ ও নার্সরা একই ওয়ার্ডে ছয় মাসের বেশি ডিউটি করতে পারবেন না।

ইনচার্জদের নতুন করে রোস্টার করার নির্দেশনা দিয়ে পরিচালক বলেন, ৩ মাস থেকে ৬ মাস পর্যন্ত এক জায়গায় ডিউটি করতে পারবেন নার্সরা। ছয় মাস পরে তাদের হাসপাতালের অন্য জায়গায় ডিউটি দেবেন। সবাইকেই ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ডিউটি করতে হবে। হাসপাতালে এমন অনেকে আছেন দুই বছর, তিন বছর যাবত একই জায়গায় ডিউটি করছেন। এ জন্য আমরা নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। উল্লেখিত ঘটনার পরের দিনই পরিচালকের পক্ষ থেকে নতুন এই নির্দেশনা আসায় ওই ঘটনার সঙ্গে যোগসূত্র দেখতে পাচ্ছেন অনেকেই। বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবেই নিয়েছেন নার্সরা।

ফেসবুকে নিন্দা:

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নার্সদের একটি গ্রুপে এ নিয়ে পোস্ট করার পর দেখা গেছে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায়। নার্স-মিডওয়াইফ প্রাক্টিশনার্স অব বাংলাদেশ (এনএমপিবি) নামের একটি ফেসবুক গ্রুপে হারুন অর রশিদের করা লিখিত অভিযোগের ছবি পোস্ট করেন সুহানা সাবা নামের একজন। সঙ্গে ক্যাপসনে লেখেন, “কিছু নেতা নামক ভন্ডনের জন্যই এখন হাসপাতালের নার্সিং সেবা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এসব নেতাদের কোন দিন রোগীকে সেবা দিতে দেখি নাই। সারা দিন ঘুর ঘুর করে আর চামচামি দালালিতে মত্ত থাকে। আর যারা হাসপাতালে কাজ করে উল্টো তাদের নেতিবাচক সমালোচনাসহ তার নিজস্ব লোকদের সুযোগ সুবিধা না দিলে কাজে বাধাগ্রস্ত করে। সময় এসেছে এই সকল ভন্ড নেতাদের মুখোশ উন্মোচন করার এবং এদের বয়কট করার। ধন্যবাদ জানাই আমাদের প্রিয় নার্সিং সুপারভাইজার দিপু ভাইকে অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জন্য। অতি দ্রুত এর বিচার চাই।

বিশেষ করে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আমাদের নার্স জাতির অন্যতম অভিভাবক মোহাম্মদ আবদুল হাই পিএএ স্যারকে এই সকল কাজের সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষির বিচার কামনা করছি।”

এর কমেন্ট বক্সে শম্পা মেরি নামে একজন লেখেন, “এবার বুঝেছি ডিএনসিতে আমার অর্ডার হয়েছিলো। আমাকে বসার চেয়ার-টেবিল দেওয়া হয়নি। আমার ৪ মাস বেতন বন্ধ ছিলো এবং তিনি ওখান থেকে তাড়াতে চেয়েছিলেন, তার মাধ্যমে আমি অর্ডার করিনি দেখে।” এছাড়া, কমেন্ট করে অনেকেই এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

অধিদপ্তর পরিচালকের সঙ্গে সখ্যতার গুঞ্জন ছড়িয়ে ভীতি সৃষ্টি:

অপরদিকে, ঢামেক হাসপাতালের বেশ কয়েকজন নার্স অভিযোগ করে বলেন, নার্সিং ও মিডওয়াইফারী অধিদপ্তরের উর্ধ্বতনদের সঙ্গে কামাল হোসেন পাটোয়ারীর দহরম-মহরম আছে বলেই জানতেন তারা। তবে গত এক থেকে দেড় বছর ধরে সেই অবস্থান নেই তার। কেননা অধিদপ্তরে পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে আব্দুল হাই পিএএ’র আগমনের পরে নার্সিং সেক্টরের দুর্নীতির লাগামে টান পড়তে শুরু করে। অধিদপ্তর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এবং বিভিন্ন হাসপাতাল-কলেজের নার্সিং কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেই তাকে ব্যবস্থা নিতে বলে দেখা গেছে। যে কারণে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কামাল হোসেন পাটোয়ারী দীর্ঘ বছর ধরে বদলি বাণিজ্যসহ যেসব অনৈতিক সুবিধা নিচ্ছিলেন, তা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে কামাল পাটোয়ারী অন্য নেতাদের অনুসারী নার্সদের ধরে ধরে বদলি করার হুমকি দিচ্ছেন। ক্ষেত্রবিশেষে তার হুমকি বাস্তবায়ন হওয়ায়, অর্থাৎ ‘বদলি করে দেবো’, এই কথা বলা অনেক নার্সেরই ঢামেক হাসপাতাল থেকে হঠাৎ বদলি হওয়ার কারণে কামাল তার ‘পুরানো জৌলুস’ ফিরে পেয়েছেন বলে মনে করছেন নার্সরা। আর নিজের প্রভাব পুনরুদ্ধারে পরিচালক (প্রশাসন) আব্দুল হাই’র সঙ্গে সখ্যতা গড়ে উঠেছে বলে কামাল পাটোয়ারী জানান দিচ্ছেন নার্সদের মাঝে, এমনটাই জানালেন ঢামেক হাসপাতালের একাধিক নার্সিং কর্মকর্তা।

সাধারণ নার্সদের যত অভিযোগ:

এর বাইরেও, ঢামেক হাসপাতালের বেশ কয়েকজন নার্সের সঙ্গে কথা বলে কামাল হোসেন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে শোনা গেলো অগণিত অভিযোগ।

তারা বলছেন, ঢামেক হাসপাতালের নার্সদের প্রাপ্য সরকারি সুবিধাগুলো পেতে হলেও এই নেতার কাছে ধর্না দিতে হয়। আর সেই সুযোগের অসদব্যবহার করে ফায়দা লোটেন তিনি। আভ্যন্তরীন ও দূরের বদলি বাণিজ্য, লোকাল ও বিদেশ প্রশিক্ষণ, হজ্ব টিমে নাম অন্তর্ভুক্তি, ক্যান্টিনের অর্থ আত্মসাতসহ নানা অসদুপায়ে আর্থিকভাবে ফুলে-ফেপে উঠেছেন কামাল পাটোয়ারী। তাছাড়া, তার মাধ্যম না হয়ে অন্য কোনো উপায়ে অধিদপ্তর থেকে কোনো ধরনের সুবিধা পাওয়া গেলে সেই নার্সের ওপরও ক্ষেপে যান কামাল। তাকে হেনস্তা করতে নানা কৌশল নেন তিনি। এসবই ঢামেক হাসপাতালের নার্সদের কাছে ওপেন-সিক্রেট ব্যাপার। তবে বেকায়দা অবস্থার মধ্যে পড়ার ভয়ে মুখ খোলেন না কেউই।

ডিউটি বাদ দিয়ে শুধু রাজনীতি:

এছাড়া যে সেবামূলক চাকরি করার কারণে তিনি এই সংগঠনের নেতা হয়েছেন, সে দায়িত্বও পালন করেন না। সূত্র জানিয়েছে, এই নেতার ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্ব। কিন্তু সেখানে যান শুধু চেহারা দেখাতে। রাজনীতি করতে গিয়ে ভুলেই গেছেন অন্য সবার মত তিনিও একজন নার্স! তারও ডিউটি আছে। শুধুমাত্র স্বাক্ষর করেই কর্মস্থলের দায়িত্ব শেষ করে রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত থাকেন এই বিএনএ সভাপতি। আর তার কিছু অনুসারী রয়েছে, তারাও নেতার প্রভাব খাটিয়ে ঠিকমত ডিউটি করেন না। আবার এক গ্রুপ আছে ভালো-মন্দের বাছ-বিচার না করেই অন্ধের মত এই নেতা পদলেহন করেন। কামাল পাটোয়ারীও তার অনুসারীদের বিভিন্ন ধরনের সুবিধা দিয়ে থাকেন ক্ষমতার অপপ্রয়োগের মাধ্যমে।

জানা গেছে, বর্তমান কমিটির মেয়াদ উত্তীর্নের প্রায় তিন বছর পার হয়ে গেলেও অজ্ঞাত কারণে নির্বাচন আটকে আছে। অনেক নার্সের বক্তব্য- সভাপতি অদৃশ্য ক্ষমতা ব্যবহার করে নির্বাচন আটকে রেখেছিলেন।

মহাপরিচালককে ফাঁসাতে বঙ্গবন্ধুর ছবির অবমাননা:

মোঃ কামাল হোসেন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে অধিদপ্তরের সাবেক এক মহাপরিচালককে ফাঁসাতে বঙ্গবন্ধুর ছবির অবমাননার অভিযোগ রয়েছে। ওই ঘটনায় কামালসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করা হয়। এ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে, তিনি যদি আওয়ামী লীগপন্থি হয়ে থাকেন তাহলে কিভাবে একটি ষড়যন্ত্রমূলক কাণ্ড ঘটাতে বঙ্গবন্ধুর ছবি ব্যবহার করলেন। তবে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে- জাতির পিতার ছবি নিয়ে “নয়ছয়” করে এখনো বহাল তবিয়তে আছেন এই নার্স নেতা। ২০২০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি কামাল পাটোয়ারীকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেন নার্সিং অধিদপ্তরের তৎকালীন মহাপরিচালক আলম আরা বেগম। চিঠিতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে এবং কেন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে না, তা জানতে চেয়ে ১০ কার্যদিবস সময় বেঁধে দেওয়া হয়। কিন্তু কামাল পাটোয়ারী অদৃশ্য ক্ষমতা ব্যবহার করে গুরুতর এই অভিযোগের দায় থেকে বেঁচে গেছেন। উল্টো ওই মহাপরিচালককেই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

নিয়ম ভেঙে অসংখ্যবার হজ্ব টিমে গমন:

কামাল পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে এসব ছাড়াও ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- প্রতি বছর সরকারিভাবে প্রেরিত হজ্ব যাত্রীদের সঙ্গে মেডিকেল টিমে একজন নার্স কর্মজীবনে একবারই যেতে পারবেন। জনশ্রুতি রয়েছে- কামাল পাটোয়ারী অন্তত ৫ বার হজ্ব টিমে গিয়েছেন। আরো বেশিবার গিয়েছেন বলেও অনেকের মন্তব্য। তবে কামাল পাটোয়ারী এক সাংবাদিকের কাছে স্বীকার করেছেন যে তিনবার গিয়েছেন তিনি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার মতামত জানান এখানেই

তারিখে ক্লিক করে সংবাদ পড়ুন

May 2021
SSMTWTF
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031 

সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা

সবচেয়ে বেশি পড়া হয়েছে

আজ

  • মঙ্গলবার (রাত ১:২০)
  • ১১ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ২৯শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি
  • ২৮শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ফেসবুক-ইউটিউবে আমাদের সঙ্গে থাকুন

Don't be shy, get in touch. We love meeting interesting people and making new friends.

সবচেয়ে বেশি পড়া হয়েছে

language change »